Health Tips

Showing posts with label জ্বর. Show all posts
Showing posts with label জ্বর. Show all posts

 

জ্বর হলেই কি খাওয়া উচিত অ্যান্টিবায়োটিক? চিকিৎসকের পরামর্শ জানলে চমকে যাবেন নিশ্চিত

Fever and Antibiotic: জ্বরের সময় আমাদের মধ্যে অনেকেই চট করে অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে নেন। তবে এই সমস্যায় অ্যান্টিবায়োটিক কি আদৌ কার্যকরী? নাকি এই ওষুধটা খেলে আদতে সমস্যার ফাঁদে পড়ার আশঙ্কাই বাড়ে? আর সেই নিয়েই নিজের মুখ খুললেন কলকাতা শহরের বিশিষ্ট মেডিসিনের চিকিৎসক ডা: অরিন্দম বিশ্বাস। তাই আর কালবিলম্ব না করে তাঁর পরামর্শ শুনে নিন।


should you take antibiotics if you have a fever know the answer from doctor arindam biswas
Fact Check: জ্বর হলেই কি খাওয়া উচিত অ্যান্টিবায়োটিক? চিকিৎসকের পরামর্শ জানলে চমকে যাবেন নিশ্চিত
গ্রীষ্মের শুরুর দিন থেকেই ঘরে ঘরে জ্বর। আর এমন সমস্যার ফাঁদে পড়ার পরই আমাদের মধ্যে অনেকে নিজের বুদ্ধিতে সেবন করছেন অ্যান্টিবায়োটিক। তাতেই নাকি জ্বর থেকে দ্রুত সেরে ওঠা সম্ভব হচ্ছে বলে তাঁদের মত।

কিন্তু প্রশ্ন হল, সত্যিই কি জ্বরের সঙ্গে সরাসরি অ্যান্টিবায়োটিকের কোনও যোগ রয়েছে? এই ওষুধের গুণে কি সত্যিই এই সমস্যা থেকে দ্রুত সেরে ওঠা সম্ভব? আর সেই প্রশ্নের উত্তর জানতেই আমরা যোগাযোগ করেছিলাম কলকাতা শহরের বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা: অরিন্দম বিশ্বাসের সঙ্গে। তাই আর দেরি না করে এই প্রতিবেদন থেকে তাঁর মতামত জেনে নিন। আশা করছি, তাঁর পরামর্শ শোনার পর আপনার চোখ খুলে যাবে। তারপর আপনিও জ্বরের সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

​জ্বর হলে কি অ্যান্টিবায়োটিক মাস্ট?​

​জ্বর হলে কি অ্যান্টিবায়োটিক মাস্ট?​

এই প্রশ্নের উত্তরে ডা: অরিন্দম বিশ্বাস জানালেন, অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধটি ব্যাকটেরিয়া নিধনে কাজ করে। আর অপরদিকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জ্বরের পিছনে কলকাঠি নাড়ে বিভিন্ন ভাইরাস। তাই অধিকাংশ সময়ই জ্বরে অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে কোনও লাভ পাওয়া হয় না। উল্টে এই ভুলটা করলে একাধিক জটিল শারীরিক সমস্যার ফাঁদে পড়ার আশঙ্কাই বাড়ে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অহেতুক এই ওষুধ খাবেন না। নইলে কিন্তু পরবর্তীকালে ভুগতে হবে।


অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স​

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স​

কথায় কথায় অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার কারণে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া এই ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই ওষুধ আর কাজ করছে না। তখন আরও হাই পাওয়ারের ওষুধ দিতে হচ্ছে। আর এটাই হল সবথেকে বড় দুশ্চিন্তার বিষয়। এভাবে চলতে থাকলে কিন্তু আগামীদিনে চিকিৎসা আরও কঠিন হয়ে পড়বে। তাই নিজের বুদ্ধিতে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার বদভ্যাসটা এবার শুধরে নিন।


​অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়​

​অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়​

কোনও জ্বরের পিছনে ভাইরাস নাকি ব্যাকটেরিয়া রয়েছে, এই বিষয়টা বোঝার জন্য সোয়াব টেস্ট করা উচিত। তবে এই টেস্টের খরচা অনেক। তাই ভারতের মতো দেশে সকলকে সোয়াব টেস্ট করানো সম্ভব হয় না। আর এই কারণেই বিশেষজ্ঞরা প্রয়োজন বুঝলে বয়স্ক এবং শিশুদের প্রথম থেকেই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার পরামর্শ দিতে পারেন। তাতেই রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।

​জ্বর এলে কী করবেন?​

​জ্বর এলে কী করবেন?​

এই প্রশ্নের উত্তরে ডা: অরিন্দম বিশ্বাস জানালেন, জ্বর এলে সবার প্রথমে প্যারাসিটামল ওষুধটি খাওয়া চালু করুন। এই ওষুধটি কিন্তু এই সমস্যায় একেবারে মহৌষধির মতো কাজ করে। এর পাশাপাশি খেতে পারেন অ্যালার্জির ওষুধ। সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে জলপান মাস্ট। এমনকী পাতে রাখুন শাক, সবজি, ফল, মাছ, ডিম, মাংসের মতো সব সুষম খাবার। আশা করছি, এই কয়েকটি নিয়ম মেনে চললেই আপনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।

​এসব লক্ষণ দেখলেই সাবধান​

​এসব লক্ষণ দেখলেই সাবধান​

জ্বর ১-২ দিনের বেশি থাকলে, জ্বর বাড়তেই থাকলে, প্যারাসিটামল খাওয়ার পরও জ্বর না কমলে, বমি-পায়খানা শুরু হলে, শরীর খুব দুর্বল লাগলে, গায়ে-হাত-পায়ে প্রচণ্ড ব্যথা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তাঁর কাছে নিজের সমস্যার কথা খুলে বলুন। এরপর তিনি যেই যেই পরামর্শ দেবেন, সেগুলি মেনে চলতে হবে। ব্যস, তাতেই আপনি জ্বরের ফাঁদ কাটিয়ে দ্রুত সেরে উঠবেন।


 

যে চার ধরণের জ্বর হঠাৎ করেই মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে

চিকিৎসকরা বলেন, জ্বর আসলে কোন রোগ নয়, বরং এটি রোগের একটি লক্ষণ বা উপসর্গ।

ছবির উৎস,GETTY IMAGES

ছবির ক্যাপশান,চিকিৎসকরা বলেন, জ্বর আসলে কোন রোগ নয়, বরং এটি রোগের একটি লক্ষণ বা উপসর্গ।

জীবনে কখনো জ্বরে ভোগেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। কারণ অসুস্থ হওয়ার একটি অন্যতম উপসর্গ হচ্ছে জ্বর। সাধারণত জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার দিন তিনেকের মধ্যে সেটি ভালও হয়ে যায় এবং এর জন্য খুব জটিল চিকিৎসার দরকার হয় না।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বিবিসি বাংলাকে বলেন, জ্বর আসলে কোন রোগ নয়। এটি অন্য কোন রোগের লক্ষণ মাত্র। সবচেয়ে সাধারণভাবে বলা যায়, দেহে কোন জীবাণুর সংক্রমণ হলে জ্বর হতে পারে। ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ইত্যাদির আক্রমণে জ্বরে ভোগ মানুষ।

মি. আব্দুল্লাহ মনে করেন, কোন জ্বরই আসলে অবহেলা করা উচিত নয়। উপসর্গ বুঝে ব্যবস্থা নেয়া উচিত। বিশেষ করে যদি জ্বরের সাথে আরো অন্য কোন উপসর্গ থাকে এবং এক সপ্তাহর পরও সেটি ভালো না হয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। সেই সাথে যারা শিশু, বয়স্ক এবং ক্রনিক কোন রোগ বা আগে থেকেই স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে তাদের এ বিষয়ে আরো সচেতন হওয়া উচিত।

জ্বরের সাথে ঘাড় বা শরীরের ব্যথা, উচ্চ তাপমাত্রা, বমি করা বা খাবার খেতে না পারা, তিনদিনের বেশি জ্বর থাকা, শুধু রাতে জ্বর আসা, শরীরে র‍্যাশ বের হওয়া, চোখ শুকিয়ে যাওয়া, খিচুনি হওয়া-ইত্যাদি লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।


ডেঙ্গুর মতো অনেক রোগে জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত

ছবির উৎস,GETTY IMAGES

ছবির ক্যাপশান,ডেঙ্গুর মতো অনেক রোগে জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত

১. ডেঙ্গু:

বাংলাদেশে বর্তমানে ডেঙ্গু মৌসুম চলছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এবছর এ পর্যন্ত ৫৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। আর আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে ৯ হাজারের বেশি মানুষ।

এজন্য এই মৌসুমে কারো জ্বর হলে, সর্দি-কাশি, গলাব্যথা, শরীর ব্যথা যদি থাকে তাহলে তাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার কথা বলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, এবার ডেঙ্গু মারাত্মক হচ্ছে এবং সাধারণ ডেঙ্গুর কোন লক্ষণও থাকছে না, তাই জ্বরের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

“রোগীর দু-একদিন জ্বর, অল্প গলাব্যথা, কাশি, হঠাৎ করে অবস্থা খারাপ হয়ে যাচ্ছে, শক সিনড্রোম হচ্ছে, অজ্ঞান হয়ে যায়, পালস পাওয়া যায় না, ব্লাড প্রেশার পাওয়া যায় না এবং অনেকে মারা যাচ্ছে। প্রায়ই মারা যাচ্ছে ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে,” বলেন চিকিৎসক এ বি এম আব্দুল্লাহ।

তিনি বলেন, আগে থেকেই স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগা মানুষরা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে তা জটিল হওয়ার শঙ্কা অনেক বেশি থাকে।

“যাদের অন্য রোগ আছে যেমন ডায়াবেটিস, হাই ব্লাড প্রেশার, কিডনি রোগ, লিভারের রোগ, স্ট্রোকের রোগী, হার্টের রোগী- যাদের মেডিকেল টার্মে বলে কো-মরবিডিটি, এধরণের রোগ যাদের আছে তাদের যদি জ্বর আসে তাহলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।”

মি. আব্দুল্লাহ বলছেন, কেউ যদি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন তাহলে প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে চিকিৎসা নিলে জটিলতা এড়ানো যায়। এটি আসলে মৃত্যু এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে মনে করেন তিনি।

ডেঙ্গু রোগীদের শরীরের যে কোন জায়গা থেকে অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ মানেই তা হেমারেজিক ডেঙ্গুতে রূপ নিয়েছে। হেমারেজিক ডেঙ্গুতে চোখে রক্ত জমে যায়; নাক, দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত ঝরে; মুখ, কান, মলদ্বার এরকম যেকোনো একটি বা একের অধিক অংশ দিয়ে রক্ত বের হতে পারে। বমি ও কাশির সাথেও রক্ত বের হতে পারে।

মুগদা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ নিয়াতুজ্জামান এর আগে বিবিসি বাংলাকে বলেন, “হেমারেজিক ডেঙ্গুতে রোগী মারা যেতে পারে যদি ব্রেইন, হার্ট এরকম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে যদি হেমারেজ হয়।”

টিকার মাধ্যমে হলুদ জ্বর প্রতিরোধ করা যায়

ছবির উৎস,GETTY IMAGES

ছবির ক্যাপশান,টিকার মাধ্যমে হলুদ জ্বর প্রতিরোধ করা যায়

২. ইয়োলো ফিভার বা হলুদ জ্বর

ইয়োলো ফিভার বা হলুদ জ্বর মশার কামড়ে ছড়ায় এবং এই মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। এডিস এবং হেমাগোগাস মশার কামড়ে এই জ্বর ছড়ায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, হলুদ জ্বরে লক্ষণের মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাংসপেশী ব্যথা, মাথাব্যথা, ক্ষুধামন্দা, বমি বমি ভাব বা বমি। সাধারণত ৩-৬ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। তবে খুবই কম সংখ্যক রোগী এই জ্বরে আক্রান্ত হলে প্রাথমিক এসব উপসর্গ থেকে সেরে ওঠার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় ধাপে পৌছায়।

এই ধাপে, শরীরের তাপমাত্রা প্রচণ্ড বেড়ে যায় এবং আবারো জ্বর আসে, দেহের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিশেষ করে লিভার এবং কিডনি আক্রান্ত হয়। এই ধাপে মানুষ জন্ডিসে আক্রান্ত হয়। শরীরের ত্বক এবং চোখে হলুদ হয়ে যায়।

এ কারণেই একে ইয়োলো ফিভার বা হলুদ জ্বর বলা হয়। এ অবস্থায় মূত্র গাঢ় রঙের হয়, পেট ব্যথা এবং বমি হয়। মুখ, নাক, চোখ বা পেটে রক্তক্ষরণ হতে পারে। যেসব রোগী এই ধাপে পৌঁছায় তাদের মধ্যে অর্ধেকই ৭-১০ দিনের মধ্যে মারা যায়।

এই জ্বর নিরোধক কোন ওষুধ নেই। তবে এটি টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা যায়।

৩. ম্যালেরিয়া

কারো যদি জ্বর থাকে এবং জ্বরের সাথে সাথে ঠান্ডা, মাথাব্যথা, ক্লান্তিভাব, বিভ্রান্তি, খিঁচুনি ও নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হয় তাহলে দেরি না করে তাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

কারণ এসব লক্ষণ প্রাণঘাতি হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হলে এ ধরণের উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

অ্যানোফিলিস নামে এক ধরণের স্ত্রী মশার কামড়ে ম্যালেরিয়া ছড়ায়। এছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করলে বা তার ব্যবহৃত সুঁচ ব্যবহারের মাধ্যমেও এটি ছড়াতে পারে। প্রাথমিক উপসর্গগুলো সাধারণ জ্বর আক্রান্তের মতোই মৃদু হয় এবং ম্যালেরিয়া বলে সনাক্ত করাও কঠিন। তবে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করলে আক্রান্ত ব্যক্তি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মারা যেতে পারে।

ম্যালেরিয়া একটি প্রাণঘাতি রোগ এবং এটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় দেশগুলোতে বেশি সংক্রমিত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, সারা বিশ্বে ২০২১ সাল পর্যন্ত ছয় লাখ ১৯ হাজারের বেশি মানুষ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।

৫ বছরের কম বয়সী শিশু, গর্ভবতী নারী, সফরে থাকা ব্যক্তি এবং এইচআইভি-তে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ম্যালেরিয়ার ঝুঁকিতে বেশি থাকে।

টাইফয়েডের অন্যতম উপসর্গ হচ্ছে উচ্চমাত্রায় জ্বর।

ছবির উৎস,GETTY IMAGES

ছবির ক্যাপশান,টাইফয়েডের অন্যতম উপসর্গ হচ্ছে উচ্চমাত্রায় জ্বর।

৪. টাইফয়েড জ্বর

টাইফয়েডের অন্যতম উপসর্গ হচ্ছে উচ্চমাত্রায় জ্বর। এছাড়া প্রচণ্ড ক্লান্তি, মাথাব্যথা, বমি, পেট ব্যথা এবং আমাশয় ও ডায়রিয়াও থাকে। জ্বরের সাথে এ ধরণের উপসর্গ অনেক সময় প্রাণঘাতি হয়। তাই চিকিৎসকের এ ধরণের উপসর্গ দেখলে চিকিৎসকের কাছে নেয়ার পরামর্শ দেন।

টাইফয়েডে আক্রান্ত অনেক রোগীর দেহে ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। এটি মারাত্মক আকার ধারণ করলে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, প্রতিবছর এক লাখ ১০ হাজার মানুষ বিশ্বজুড়ে টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। আর আক্রান্ত হয় ৯০ লাখের বেশি মানুষ।

সালমোনেলা টাইফি নামে এক ধরণের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে টাইফয়েড ছড়ায় যা প্রাণঘাতি একটি রোগ। এই ব্যাকটেরিয়া একবার শরীরে ঢুকে পড়লে তা বিভাজিত হতে থাকে এবং এটি রক্তে মিশে যায়। সাধারণত দূষিত খাবার বা পানির মাধ্যমে এটি ছড়ায়। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে টাইফয়েড সনাক্ত করা যায়।